৩. বিভিন্ন বিপদ ও সহীহ রুকিয়াসরাসরি প্রমাণিত (Tier A)

সর্বরোগের নিরাময়ে সূরা আল-ফাতিহা রুকিয়া

প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য

সূরা আল-ফাতিহা কুরআনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রুকিয়া। সাহাবী আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) এক গোত্রপ্রধানকে বিষাক্ত বিচ্ছুর দংশন থেকে আরোগ্য করার জন্য সূরা আল-ফাতিহা পড়ে ফু দিয়েছিলেন এবং তিনি সাথে সাথে সুস্থ হয়ে ওঠেন। রাসুলুল্লাহ ﷺ তা অনুমোদন করেছিলেন (সহীহ বুখারী ৫৭৩৬)।

📖আমল ও তিলাওয়াতযোগ্য আয়াত/হাদীস

1 টি আয়াত / হাদীস
কুরআনকুরআন 1:1–7
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۝ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ۝ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۝ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ۝ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ۝ اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ ۝ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ
উচ্চারণ (বাংলা লিপি):

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন। আর-রাহমানির রাহীম। মালিকি ইয়াওমিদ্দীন। ইয়্যাকা না'বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তা'ঈন। ইহদিনাস-সিরাতাল মুস্তাকীম। সিরাতাল্লাযীনা আন'আমতা 'আলাইহিম, গাইরিল মাগদূবি 'আলাইহিম ওয়ালাদ্দোয়াল্লীন।

অনুবাদ ও অর্থ:

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু। যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা। যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু। যিনি বিচার দিনের মালিক। আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। আমাদেরকে সরল পথ দেখাও, সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।

উৎস: মুহিউদ্দীন খান

🌿ব্যবহার ও আমলের পদ্ধতি (সুন্নাহ অনুযায়ী)

রোগীর কাছে বসে গভীর একীন ও তাওয়াক্কুলের সাথে সূরা আল-ফাতিহা ৭ বার তিলাওয়াত করুন। তিলাওয়াত শেষে রোগীর শরীরে বা ব্যথার স্থানে হালকা থুথুমিশ্রিত ফুঁ দিন এবং হাত বুলিয়ে দিন।

⚖️

জরুরি সতর্কবার্তা ও নির্দেশনা

রুকিয়া আল্লাহর নিকট আশ্রয় ও শেফা প্রার্থনার একটি শরীয়াহসম্মত মাধ্যম; এটি ডাক্তারি চিকিৎসা বা ঔষধের বিকল্প নয়। অসুস্থতায় অবশ্যই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। কখনোই কোনো প্রকার তাবিজ ব্যবহার করবেন না এবং গণক, যাদুকর বা ভণ্ড কবিরাজের কাছে যাবেন না।

সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়সমূহ

বিভিন্ন বিপদ ও রুকিয়াসরাসরি প্রমাণিত (Tier A)

বদনজর দূরীকরণে ওযু ও গোসলের সুন্নাত পদ্ধতি

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: 'বদনজর সত্য। তাকদীরকে যদি কোনো কিছু অতিক্রম করতে পারত, তবে তা বদনজরই হতো। আর যখন তোমাদের (বদনজরের চিকিৎসার জন্য) গোসল বা ওযু করতে বলা হয়, তখন তোমরা গোসল করে দাও।' (সহীহ মুসলিম ২১৮৮)। কারো নজর লেগেছে বলে জানা গেলে, নজরদানকারী ব্যক্তিকে ওযু করিয়ে সেই পানি আক্রান্ত ব্যক্তির গায়ে ঢেলে দেওয়ার বিধান সহীহ হাদীস দ্বারা সরাসরি প্রমাণিত রুকিয়া ও শেফা।

3 টি আয়াত / হাদীসদেখুন →
বিভিন্ন বিপদ ও রুকিয়াসরাসরি প্রমাণিত (Tier A)

বদনজর (আইন) ও নজর লাগার সহীহ রুকিয়া

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: 'বদনজর সত্য। তাকদীরকে যদি কোনো কিছু অতিক্রম করতে পারত, তবে তা বদনজরই হতো' (সহীহ মুসলিম ২১৮৮)। মানুষের প্রশংসনীয় অবস্থা বা সুন্দর কিছুর ওপর হিংসা বা বিস্ময় প্রকাশ পেলে বদনজর লাগতে পারে। জিবরীল (আ.) স্বয়ং রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে বদনজরের জন্য রুকিয়া করেছিলেন।

5 টি আয়াত / হাদীসদেখুন →