৩. বিভিন্ন বিপদ ও সহীহ রুকিয়াসরাসরি প্রমাণিত (Tier A)

অন্তরের খারাপ চিন্তা, সন্দেহ ও ওয়াসওয়াসা দূর করার আমল

প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য

ঈমান, ওজু বা পবিত্রতা নিয়ে অন্তরে সন্দেহ ও অসৎ দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি করা শয়তানের স্বভাবজাত অপকৌশল। রাসুলুল্লাহ ﷺ জানিয়েছেন এমন অবস্থায় বিচলিত না হয়ে অবিলম্বে বিতর্ক থামিয়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে হবে।

📖আমল ও তিলাওয়াতযোগ্য আয়াত/হাদীস

1 টি আয়াত / হাদীস
হাদীসSahih Muslim 134• Sahih
يَأْتِي الشَّيْطَانُ أَحَدَكُمْ فَيَقُولُ: مَنْ خَلَقَ كَذَا؟ مَنْ خَلَقَ كَذَا؟ حَتَّى يَقُولَ: مَنْ خَلَقَ رَبَّكَ؟ فَإِذَا بَلَغَهُ فَلْيَسْتَعِذْ بِاللَّهِ وَلْيَنْتَهِ
উচ্চারণ (বাংলা লিপি):

ইয়া'তিশ-শাইত্বানু আহাদাকুম ফাইয়াকুলু: মান খালাক্বা কাযা? মান খালাক্বা কাযা? হাত্তা ইয়াকুলা: মান খালাক্বা রাব্বাক? ফা-ইযা বালাজাহু ফালয়াস্তা'ইয বিল্লাহি ওয়ালইয়ানতাহি।

অনুবাদ ও অর্থ:

শয়তান তোমাদের কারও কাছে এসে বলে: অমুক জিনিস কে সৃষ্টি করেছে? অমুক জিনিস কে সৃষ্টি করেছে? এমনকি পরিশেষে বলে: তোমার প্রতিপালককে কে সৃষ্টি করেছে? যখন এমন অবস্থায় পৌঁছায়, তখন সে যেন অবিলম্বে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করে এবং এই চিন্তা থেকে বিরত থাকে।

উৎস: সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

🌿ব্যবহার ও আমলের পদ্ধতি (সুন্নাহ অনুযায়ী)

মনে কুচিন্তা বা ওয়াসওয়াসা জাগ্রত হওয়া মাত্র মুখে বলুন: 'আ'উযু বিল্লাহি মিনাশ-শাইত্বানির রাজীম, আ-মানতু বিল্লাহি ওয়া রুসুলিহি' (আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই, আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলগণের ওপর ঈমান আনলাম)। অতঃপর চিন্তাটি পুরোপুরি অগ্রাহ্য করুন এবং কোনো তর্কে লিপ্ত হবেন না।

⚖️

জরুরি সতর্কবার্তা ও নির্দেশনা

রুকিয়া আল্লাহর নিকট আশ্রয় ও শেফা প্রার্থনার একটি শরীয়াহসম্মত মাধ্যম; এটি ডাক্তারি চিকিৎসা বা ঔষধের বিকল্প নয়। অসুস্থতায় অবশ্যই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। কখনোই কোনো প্রকার তাবিজ ব্যবহার করবেন না এবং গণক, যাদুকর বা ভণ্ড কবিরাজের কাছে যাবেন না।

সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়সমূহ

বিভিন্ন বিপদ ও রুকিয়াসরাসরি প্রমাণিত (Tier A)

বদনজর দূরীকরণে ওযু ও গোসলের সুন্নাত পদ্ধতি

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: 'বদনজর সত্য। তাকদীরকে যদি কোনো কিছু অতিক্রম করতে পারত, তবে তা বদনজরই হতো। আর যখন তোমাদের (বদনজরের চিকিৎসার জন্য) গোসল বা ওযু করতে বলা হয়, তখন তোমরা গোসল করে দাও।' (সহীহ মুসলিম ২১৮৮)। কারো নজর লেগেছে বলে জানা গেলে, নজরদানকারী ব্যক্তিকে ওযু করিয়ে সেই পানি আক্রান্ত ব্যক্তির গায়ে ঢেলে দেওয়ার বিধান সহীহ হাদীস দ্বারা সরাসরি প্রমাণিত রুকিয়া ও শেফা।

3 টি আয়াত / হাদীসদেখুন →
বিভিন্ন বিপদ ও রুকিয়াসরাসরি প্রমাণিত (Tier A)

বদনজর (আইন) ও নজর লাগার সহীহ রুকিয়া

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: 'বদনজর সত্য। তাকদীরকে যদি কোনো কিছু অতিক্রম করতে পারত, তবে তা বদনজরই হতো' (সহীহ মুসলিম ২১৮৮)। মানুষের প্রশংসনীয় অবস্থা বা সুন্দর কিছুর ওপর হিংসা বা বিস্ময় প্রকাশ পেলে বদনজর লাগতে পারে। জিবরীল (আ.) স্বয়ং রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে বদনজরের জন্য রুকিয়া করেছিলেন।

5 টি আয়াত / হাদীসদেখুন →